স্মৃতিনগরে রবীন্দ্রজয়ন্তী: বিজন বিশ্বাসের অঙ্কিত রবি প্রতিকৃতি উন্মোচন

ভিলাইয়ে রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন: বিখ্যাত চিত্রশিল্পী বিজন বিশ্বাসের অঙ্কিত রবি প্রতিকৃতি উন্মোচন, রবীন্দ্রসঙ্গীত, নাট্য ও সাহিত্যের আয়োজন।

Mar 30, 2024 - 10:00
Mar 30, 2024 - 00:39
 0  22
স্মৃতিনগরে রবীন্দ্রজয়ন্তী: বিজন বিশ্বাসের অঙ্কিত রবি প্রতিকৃতি উন্মোচন
স্মৃতিনগরে রবীন্দ্রজয়ন্তী: বিজন বিশ্বাসের অঙ্কিত রবি প্রতিকৃতি উন্মোচন

প্রথম প্রকাশ: ৩০ মে, ২০২২

সমবেত কঠোর পরিশ্রমের সুফল এই রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন আমাদের। আমাদের এখানে গত ৮ মে ২০২২ তারিখে গীতবিতান সঞ্চালিত ২০০ কন্ঠ  রবীন্দ্রসঙ্গীত এক সাথে, এক মঞ্চে আয়োজিত হয়েছিল।


আমাদের অনুষ্ঠান তাই এগিয়ে নিয়ে গেলাম
১৫ মে ২০২২ তারিখে। মঞ্চে আমরা পূর্বে থেকেই রবি প্রতিকৃতি স্থাপন করিনি। কারণ এক বিশেষ উদ্দেশ্য ছিল আমাদের


পশ্চিমবঙ্গ পশ্চিম বর্ধমানের  রুপনারায়ণপুর  থেকে আমাদের ঐকান্তিক আগ্রহের আমন্ত্রণে এসেছিলেন আমার বিশেষ বন্ধু
(পরবর্তী সময়ে সবার) স্বনামধন্য বিখ্যাত চিত্রশিল্পী শ্রী বিজন বিশ্বাস তিনি শুধু চিত্রশিল্পী নন, তিনি এক খ্যাতনামা আলোকচিত্র শিল্পীও বটে


পুর্ব হতে নি
র্ণয় নেওয়া (আমাদের সংস্থার সবাই) এক অভিনব উপায়ে করলাম আমরা অনুষ্ঠান উদ্বোধন। শুধু সাড়ে তিন মিনিট থেকে চার মিনিট- একই সময়সীমা, একই সাথে একই মঞ্চে আমার সিনথেসাইজার (কি-বোর্ড) দিয়ে বাজালাম রবীন্দ্রসঙ্গীত, আনন্দ লোকে মঙ্গলালোকে, বিরাজো সত্য সুন্দরও”।


বিজন বিশ্বাস
এর অংকন ক্যানভাসে রবি প্রতিকৃতি- সভাগারে, সকলের সম্মুখে একসাথে সেই রবি ঠাকুর নির্দিষ্ট স্থানে স্থাপন করে যথাযোগ্য গুণী জন দ্বারা এক এক করে মাল্যার্পণ, দীপ প্রজ্জ্বলন ও শঙ্খ ধ্বনি সহকারে অনুষ্ঠান উদ্বোধন হলো।


এই অভিনবতা সব দর্শক অতিশয় উপভোগ করেছে। শিল্পীকে বেশ কয়েকজন প্রশ্ন করছেন লক্ষ করলাম।


ভাল লাগলো, উনি এতো দুরে এসে আরও খানিক নিজের পরিচিতির পরধি বাড়িয়ে নিলেন আমার বন্ধু তো, তাই আমিও নিজে বিশেষভাবে গর্বিত হয়ে উঠলাম


এর পরে প্রধান অতিথি রুপে শ্রী বিজন বিশ্বাস কে মঞ্চে আবাহন ও বরণ করার পালা। তাঁকে সংস্থার পক্ষ থেকে পুষ্পগুচ্ছ, শাল, শ্রীফল মেমেন্টো ও অভিজ্ঞান পত্র সহকারে সন্মানিত করা হলো।


পরবর্তী সময়ে একে একে বিশিষ্ট অতিথি রুপে মঞ্চে আবাহন ও বরণ করা হলো- হিন্দী সাহিত্য জগতের বিখ্যাত লেখিকা শ্রীমতী সরলা শর্মা, শুভানুধ্যায়ী বন্ধু শ্রী গোপাল দত্ত, শ্রী রাজীব চৌবে জী


সেদিনের অনুষ্ঠানের স্থান- বিবেকানন্দ সভাগার, স্মৃতিনগর। কেন্দ্রটি ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞ, সর্বোপরি আমাদের সংস্থার বর্তমান সভাপতি ডঃ ভবাণী প্রসাদ মুখোপাধ্যায় কে। সবাই কে সন্মান প্রর্দশণ করে শুরু হলো সাংস্কৃতিক পর্ব।


সে দিন যে যে শিল্পী রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশ করলেন, তাঁরা হলেন- শ্রীমতী বিজয়া রায়, শ্রীমতী বীণা সাহা, শ্রীমতী সঞ্চয়ীতা চৌধুরী, শ্রী বিশ্বজিৎ রায়, শ্রী প্রবীর দত্ত।


এরপরে রবীন্দ্রনাথের বিশ্ব প্রসিদ্ধ ছোট গল্প কাবুলিওয়ালার নাট্যরুপ প্রস্তুত করলো- ভিলাইয়ের অন্যতম স্বনামধন্য প্রতিস্থান রবীন্দ্রসুধা’। নাটকের সব কলাকুশলী অত্যন্ত সুচারুরুপে নাটকটি মঞ্চস্থ করলেন- সঞ্চালিকা মৌ রায় এর সফল পরিচালনায় সকল দর্শক বেশ উপভোগ করলেন।


এর মাঝে সকল দর্শক কলাকুশলী শিল্পী ও কার্যকর্তাকে চা পান ও সকলকে স্ন্যাকস প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছিল।


এই দিন আমাদে বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্থার দুই মাননীয় কবি শ্রী গোবিন্দ পাল ও শ্রী দুলাল সমাদ্দার এর সদ্য লেখা নতুন বইয়ের মোড়ল উন্মোচন হলো। ব্যক্তিগত  রুপে সন্মান জানালেন শ্রী প্রকাশ মন্ডল।


অনুষ্ঠানের সফল সঞ্চালনা প্রথম ভাগ শ্রী গোবিন্দ পাল ও দ্বিতী ভাগ শ্রীমতী মৌ রায় এর ছিল। পরিশেষে আমি স্মৃতি দত্ত প্রথাগত রুপে ধন্যবাদ জ্ঞাপন পর্বটি সেরে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করলাম।



সবার শেষে একটি কথা- একটি সফল অনুষ্ঠানের জন্য তিনটি জিনিস খুব প্রয়োজন -

১. আয়োজক

২. শিল্পী

৩. দর্শক


কোনো অনুষ্ঠান সম্পন্ন ও সফলতার জন্য প্রয়োজন- যেটি  সেদিন আমরা পরিপূর্নভাবে লাভ করেছি আজ থেকে ঠিক ৮ দিন পুর্বে ১৫ মে ২০২২ তারিখে আমাদের রবীন্দ্রজয়ন্তীর প্রসঙ্গ বলতে গিয়ে গদগদ কন্ঠ যেন শেষ হতে চাইছে না!


উক্ত অনুষ্ঠানের কিছু ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করা হলো,


ছবি: শিল্পী বিজন বিশ্বাস

 


ছবি: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 


ছবি: এক ফ্রেমে সবাই

 


ছবি: শ্রীমতী স্মৃতি দত্ত

আপনার প্রতিক্রিয়া কি?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

শ্রীমতী স্মৃতি দত্ত অ্যাডভোকেট, লেখিকা, বঙ্গীয় সাহিত্যের সদস্য, কীবোর্ড প্লেয়ার, অ্যামওয়ে ব্যবসার মালিক। আমার লেখা সর্বশেষ বইয়ের নাম, ‘কেমেষ্ট্রি প্র্যাকটিক্যাল ও টি.ভি শো’ এবং ‘লেনিন সাহেবের সাথে দেখা’ বইটি Flipkart -এ নেবার জন্য ক্লিক করুন: https://www.flipkart.com/lenin-saheber-sathe-dekha/p/itmc9bfae4c39392