আয়ের অর্ধেক জমান! বাকিটা দিয়ে ‘হাসিমুখে’ থাকুন

শুধু পরিশ্রম করলেই যথেষ্ট নয়, বরং সঠিক পন্থায় পরিশ্রম করলেই আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করা সম্ভব। ভুল পন্থায় পরিশ্রম করা সময় ও শক্তির অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়। নিজের আয়ের চেয়ে কম খরচ করে নিয়মিত बचत এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জন করা সম্ভব। ধীরে ধীরে জীবনযাত্রার মান উন্নত করা উচিত, তবে সর্বদা আয়ের ৫০% এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। এই আর্টিকেলটি সেই সকল পাঠকদের জন্য যারা তাদের আর্থিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে উদ্বিগ্ন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে চান।

Apr 16, 2024 - 09:00
Apr 16, 2024 - 00:39
 0  15
আয়ের অর্ধেক জমান! বাকিটা দিয়ে ‘হাসিমুখে’ থাকুন
আর্থিক স্বাধীনতা, সঠিক পন্থায় পরিশ্রম, বচত ও বিনিয়োগ, আয়ের চেয়ে কম খরচ, জীবনযাত্রার মান উন্নত, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, আর্থিক ভবিষ্যৎ, আর্থিক পরিকল্পনা, সম্পদ সৃষ্টি, ধনী হওয়ার উপায়, ব্যক্তিগত অর্থ, আর্থিক স্বাধীনতার পথ, কীভাবে আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করা যায়, আপনার আয়ের চেয়ে কম খরচ করার টিপস, নিয়মিত बचत এবং বিনিয়োগের উপায়, আপনার জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য কৌশল, আর্থিক ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা কিভাবে করবেন, ধনী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ, আর্থিক স্বাধীনতার সুবিধা, আর্থিক স্বা

বয়সের সাথে সাথে স্ট্রাগলের পরিমাণটা বাড়ে কিন্তু আপনি যদি ভুল জায়গায় ভুলভাবে স্ট্রাগল করেন সেটা বৃথা একদমই বৃথা। ভুল জায়গায় করা হার্ড ওয়ার্ক, স্ট্রাগল এসব একদম কোনো কাজে আসবে না। আপনি কখনো সাকসেসও হতে পারবেন না।


কিছু উদাহরণ জেনে নিন

ধরুণ, আপনি একজন জেলে আপনি খুব স্ট্রাগল করছেন। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা কোনোকিছুই আপনাকে আটকাতে পারে না। আপনি মাছ ধরেন, বিক্রি করেন, সংসার চালান। এভাবে যদি আপনি হাজার বছরও এই পেশায় থাকেন আপনি কখনোই ধনী হতে পারবেন না।


কারণ, একসময় হয়তো মাছের দাম বাড়বে, আপনার পারিশ্রমিকও বাড়বে কিন্তু সাথে সাথে আপনার দায়িত্বও বাড়বে, সংসার খরচও বাড়বে, অন্যান্য জিনিসপত্রের দামও বাড়বে মূল্যস্ফীতির সাথে পাল্লা দিতে দিতে ওই আগের মতোই যেমন ছিলেন অমন হা-পিত্যেশ করতে করতেই জীবন শেষ।


সমাধান কি?

উত্তরটা হলো, আপনাকে আপনার ইনকামের তুলনায় বেশ খানিকটা নিম্নমানের লাইফ স্ট্যান্ডার্ডে থাকতে হবে। ধরুণ আপনার ইনকাম মাসে ২০ হাজার। তাহলে, ১০ হাজার টাকা ব্যাংকে প্রতিমাসে জমা রেখে। আপনাকে ১০ হাজার টাকার মধ্যেই সেই মাসের সংসার খরচ চালাতে হবে তার জন্য যদি তিনবেলা খেতে না পান দুই বেলা খান। ভালো বাসায় থাকতে না পারলে বস্তিতে থাকুন।


কিন্তু জমাকৃত টাকায় কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ করা যাবে না। আপনাকে মনে প্রাণে ধরে নিতে হবে আপনার ইনকাম ২০ হাজার না বরং তার অর্ধেক ১০ হাজার টাকা। অনেকে বলবে ভাই, জীবন তো দুই দিনের, মরে গেলেই শেষ, পরে কি এই বয়স পাবো? এই সময় শখ মেটাবো না কখনো মেটাবো?


আমি বলি কি জীবন তো ১০০ বছরেরও হতে পারে। তুমি কি করে নিশ্চিত হলে জীবন দুই দিনের। এই জীবনে একটা দামী বাইক, দামী গাড়ি, বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, কয়দিন পর পর ট্যুর, সুন্দরি বউ এসব না থাকলেও পুরো জীবন চলবে, বেঁচে থাকা যাবে। কিন্তু জীবন ১ মাসও চলবে না, বেঁচে থাকা যাবে না, টাকা বা সম্পদ না থাকলে।


আর শখ পূরণ করতে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই আমার মাথাব্যথা সেভিংস, বিনিয়োগ এসবের ধারে কাছে না গিয়ে টাকার যথেচ্ছা অপচয় করা। তারপর, আগের কথায় ফিরে পুরো বছরে জমা হওয়া টাকা ভালো কোথাও বিনিয়োগ করুন। এরপর বিনিয়োগের ওখান থেকেও আপনার ছোট একটা আয় জেনারেট হবে।


পরের বছরও একই প্রসেস ফলো করুন। এভাবে ৫ বছর পর আপনার একটা ভালো অ্যামাউন্ট হবে। তখন আপনি নিজের তত্ত্বাবধানে কোনো সাইড হাসল্ শুরু করুন। সময় গড়াবে আপনার আয়ও বাড়বে এখন ধীরে ধীরে লিভিং স্ট্যান্ডার্ড একটু একটু করে বাড়ান তবে তা অবশ্যই আপনার আয়ের ৫০ এর বেশি না হয় সেদিকে সতর্ক থাকুন।


জীবনকে নিজের কন্ট্রোলে নিন। অসুস্থ প্রতিযোগিতায় নিজে সর্বস্ব হারাবেন আপনার পরিশ্রমের সুযোগে অন্য কেউ ধনী হবে। হয়তো সে দামী মোবাইলের উৎপাদক, রড সিমেন্টের দোকানদার, আপনার ব্যবহৃত সব ব্র্যান্ড ওনার, রেস্টুরেন্টের মালিক কিংবা আপনার অফিসের বস।

আপনার প্রতিক্রিয়া কি?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ইউনুস আলী ইবনে আমজাদ আমি একজন ভীষণ গল্পপ্রিয় মানুষ। আমার সাথে আপনার গল্প হোক তথ্যের, শব্দের, ছন্দের।